নওগাঁর রাণীনগরে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের ধান কাটা-মারা শুরু হয়েছে। জ্বালানি তেল, সার, কিটনাশকসহ শ্রমীকের মজুরী বৃদ্ধি পাওয়ায় ধান চাষে খরচ বেড়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় এবং ধানের ফলনে কম হওয়ায় শুরুতেই লোকসানে পরেছেন কৃষকরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সম্প্রতি অধিকাংশ মিলারের ঘরে পর্যাপ্ত পরিমান এলসির চাল থাকার কারনে ধান কিনতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না মিলাররা। এতে এক্ষুনি ধানের দাম বাড়ার সম্ভবনা কম। এছাড়া আবহাওয়া খারাপ হলে ধানের দাম কমতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলা জুরে এবার ১৮হাজার ৭৫০হেক্টর জমিতে ধান রোপন করা হয়েছে। এর মধ্যে জিরাশাইল, ব্রি ধান-৯০, ব্রি ধান ৯২, কাটারীভোগসহ বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। ইতি মধ্যে কৃষকরা ধান কাটা শুরু করেছেন। যদিও কর্মকর্তারা বলছেন, ধানের ফলন ভাল হচ্ছে, কিন্তু কৃষকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, আবহাওয়া এবং রোগ বালাইয়ের কারনে সঙ্গত কারনে এবার ধানের ফলন কম হচ্ছে। এছাড়া ধান উৎপাদনে খরচও বেড়ে গেলেও বর্তমান বাজার অনুযায়ী ধান বিক্রিতে বিঘা প্রতি ৩-৪ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে।
উপজেলার আবাদপুকুর এলাকার মরুপাড়া গ্রামের কৃষক হেলাল উদ্দীন হেলু মন্ডল বলেন, এবার তিনি নিজ ও বর্গাসহ মোট ৪৪বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে হাল চাষ থেকে শুরু করে কাটা-মাড়াই এবং জমির বর্গা অংশের ভাড়াসহ এলাকা এবং মাটি ভেদে প্রায় ২৬-২৮হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়ে। তিনি বলেন ইতি মধ্যে প্রায় ১০বিঘা জমির ধান কাটা হয়েছে। এই ধান বুধবার আবাদপুকুর বাজারে সর্বোচ্চ ১০৫০টাকা মন বিক্রি করেছেন। এতে বিঘা প্রতি প্রায় ৩-৪ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে।
কালীগ্রাম বড়িয়াপাড়া গ্রামের দুলাল হোসেন বলেন, এবার ১৭বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছেন। কিন্তু নানা কারনে ধানের ফলন কমে গেছে। ইতি মধ্যে দুই বিঘা জমির ধান কাটার পর ২০-২২মন হারে ধানের ফলন পেয়েছেন।
কসবাপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি ১৬বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছেন। গতকাল বুধবার থেকে ধান কাটা শুরু করেছেন। তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার বিঘা প্রতি প্রায় ৩-৪ মন ধান কম হবে। এবার গড়ে হয়তো ২০মন হারে ধানের ফলন হতে পারে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় ধানের ফলন এবং দাম কম হওয়ায় কৃষকরা চরমভাবে লোকসানে পরেছেন। কৃষকদের বাঁচাতে ধানের ন্যায্য দর নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এই কৃষক।
আবাদপুকুর বাজারের ধান চাল আড়ৎদার লেবু হোসেন বলেন, গতকাল বুধবার হাটে প্রায় ৪৬৭মন ধান ক্রয় করেছেন। প্রতিমন ধান রকম ভেদে একহাজার ২০টাকা থেকে সর্বোচ্চ একহাজার ৫০টাকা পর্যন্ত ক্রয় করেছেন। তিনি বলেন, অধিকাংশ মিলারদের গুদামে পর্যাপ্ত পরিমানে এলসির চাল রয়েছে। ফলে ধান কেনার প্রতি তাদের তেমন আগ্রহ নেই। ফলে দামও বাড়ছে না। তিনি বলেন, যদি শুস্ক আবহাওয়া থাকে তাহলে হয়তো চলমান দামেই ধান ক্রয়-বিক্রয় হবে। আর যদি আবহাওয়া খারাপ হয় তাহলে ধানের দাম কমতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাকিমা খাতুন বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হয়েছে। এবার প্রতি বিঘায় ধানের জাত ভেদে ২৩-২৬মন হারে ধানের ফলন হচ্ছে। আগামী সপ্তাহ নাগাদ ভরপুর কাটা-মাড়াই শুরু হবে এবং ১৫-২০দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে জানান তিনি।
রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলা জুরে এবার ১৮হাজার ৭৫০হেক্টর জমিতে ধান রোপন করা হয়েছে। এর মধ্যে জিরাশাইল, ব্রি ধান-৯০, ব্রি ধান ৯২, কাটারীভোগসহ বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। ইতি মধ্যে কৃষকরা ধান কাটা শুরু করেছেন। যদিও কর্মকর্তারা বলছেন, ধানের ফলন ভাল হচ্ছে, কিন্তু কৃষকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, আবহাওয়া এবং রোগ বালাইয়ের কারনে সঙ্গত কারনে এবার ধানের ফলন কম হচ্ছে। এছাড়া ধান উৎপাদনে খরচও বেড়ে গেলেও বর্তমান বাজার অনুযায়ী ধান বিক্রিতে বিঘা প্রতি ৩-৪ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে।
উপজেলার আবাদপুকুর এলাকার মরুপাড়া গ্রামের কৃষক হেলাল উদ্দীন হেলু মন্ডল বলেন, এবার তিনি নিজ ও বর্গাসহ মোট ৪৪বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে হাল চাষ থেকে শুরু করে কাটা-মাড়াই এবং জমির বর্গা অংশের ভাড়াসহ এলাকা এবং মাটি ভেদে প্রায় ২৬-২৮হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়ে। তিনি বলেন ইতি মধ্যে প্রায় ১০বিঘা জমির ধান কাটা হয়েছে। এই ধান বুধবার আবাদপুকুর বাজারে সর্বোচ্চ ১০৫০টাকা মন বিক্রি করেছেন। এতে বিঘা প্রতি প্রায় ৩-৪ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে।
কালীগ্রাম বড়িয়াপাড়া গ্রামের দুলাল হোসেন বলেন, এবার ১৭বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছেন। কিন্তু নানা কারনে ধানের ফলন কমে গেছে। ইতি মধ্যে দুই বিঘা জমির ধান কাটার পর ২০-২২মন হারে ধানের ফলন পেয়েছেন।
কসবাপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি ১৬বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছেন। গতকাল বুধবার থেকে ধান কাটা শুরু করেছেন। তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার বিঘা প্রতি প্রায় ৩-৪ মন ধান কম হবে। এবার গড়ে হয়তো ২০মন হারে ধানের ফলন হতে পারে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় ধানের ফলন এবং দাম কম হওয়ায় কৃষকরা চরমভাবে লোকসানে পরেছেন। কৃষকদের বাঁচাতে ধানের ন্যায্য দর নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এই কৃষক।
আবাদপুকুর বাজারের ধান চাল আড়ৎদার লেবু হোসেন বলেন, গতকাল বুধবার হাটে প্রায় ৪৬৭মন ধান ক্রয় করেছেন। প্রতিমন ধান রকম ভেদে একহাজার ২০টাকা থেকে সর্বোচ্চ একহাজার ৫০টাকা পর্যন্ত ক্রয় করেছেন। তিনি বলেন, অধিকাংশ মিলারদের গুদামে পর্যাপ্ত পরিমানে এলসির চাল রয়েছে। ফলে ধান কেনার প্রতি তাদের তেমন আগ্রহ নেই। ফলে দামও বাড়ছে না। তিনি বলেন, যদি শুস্ক আবহাওয়া থাকে তাহলে হয়তো চলমান দামেই ধান ক্রয়-বিক্রয় হবে। আর যদি আবহাওয়া খারাপ হয় তাহলে ধানের দাম কমতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাকিমা খাতুন বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হয়েছে। এবার প্রতি বিঘায় ধানের জাত ভেদে ২৩-২৬মন হারে ধানের ফলন হচ্ছে। আগামী সপ্তাহ নাগাদ ভরপুর কাটা-মাড়াই শুরু হবে এবং ১৫-২০দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে জানান তিনি।
কাজি আনিসুর রহমান (রাণীনগর (নওগাঁ)